প্রিন্স মুসাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা

আলোকিতপ্রজন্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:৫২ পিএম, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ | ৮৮৩

জাল রেকর্ডপত্রের মাধ্যমে বিক্রি নিষিদ্ধ গাড়ি রেজিস্ট্রেশন করার অভিযোগে আলোচিত অস্ত্র ব্যবসায়ী ও ড্যাটকো গ্রুপের চেয়ারম্যান মুসা বিন শমশেরসহ (প্রিন্স মুসা) পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ পরিচালক মীর জয়নুল আবেদিন শিবলী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় মূসা বিন শমশেরের সাথে আরো চারজনকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন- বিআরটিএ ভোলা জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক মো. আইয়ুব আনছারী (বর্তমানে ঝালকাঠি), গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান অটো ডিফাইন ও ফিয়াজ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. ওয়াহিদুর রহমান, মূসা বিন শমশের শ্যালক মো. ফারুক-উজ-জামান ও কারনেট সুবিধা গাড়ি আনা ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী ফরিদ নাবির।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কারনেট ডি পেসেজ সুবিধায় বিনা শুল্কে রেঞ্জ রোভার জিপ ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী ফরিদ নাবির এনে বাক্রি নিষিদ্ধ হওয়া সত্বেও অটো ডিফাইন ও ফিয়াজ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. ওয়াহিদুর রহমানের কাছে বিক্রি করে। এরপর তা মূসা বিন শমশেরের কাছে বিক্রি করা হয়। মূসা বিন শমশের তার শ্যালক মো. ফারুক-উজ-জামানের মাধ্যমে জাল ও ভুয়া নথিপত্র তৈরি ভোলা বিআরটি অফিসে দাখিল রেজিস্ট্রেশন নম্বর বের করে। যেখানে বিআরটিএ ভোলা জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক মো. আইয়ুব আনছারী প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০ ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

এর আগে ২০১৭ সালের ৩১ জুলাই ওই গাড়িতে দুই কোটি ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৮৩৩ টাকা শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছিল শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

২০১৬ সালের মার্চে মিথ্যা তথ্য ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে প্রিন্স মুসার বিরুদ্ধে মামলা ও পরবর্তীতে চার্জশিট দেয় দুদক। সুইস ব্যাংকে ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার কিংবা বাংলাদেশে ১২০০ বিঘা জমিসহ অন্যান্য সম্পদ থাকার সপক্ষে যথাযথ তথ্য দিতে পারেননি প্রিন্স মুসা। অথচ দুদকে পেশ করা সম্পদ বিবরণীতে এসব সম্পদের ঘোষণা দিয়েছেন।

২০১৫ সালের ৭ জুন সম্পদ বিবরণী দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে আইনগত বাধা-নিষেধের অজুহাতে ওই যৌথ অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য দুদককে দেয়নি বলে মুসা উল্লেখ করেন।