সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইলেও একাদশ জাতীয় নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:৪০ এএম, রোববার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ | ৫৩৬

সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইলেও শুরু হয়েছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহন। সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই ভোট বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। সকালে জেলার ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও, বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটার উপস্থিতি বাড়বে বলে বলছেন ভোট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জেলার ১২টি উপজেলার ৮টি আসনেই এই ভোট গ্রহণ চলছে। নির্বাচনে ৮টি আসনে ৫১ জন প্রার্থী রয়েছেন। তবে ৫ জন প্রার্থী প্রতিক বরাদ্দের পর নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়িয়েছেন। এতে এখন মূলত ৪৬ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

টাঙ্গাইল জেলা রির্টনিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম জানান, নির্বাচনে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলায় মোট ভোটার রয়েছে ২৭ লাখ ৮৪ হাজার ৪২২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৩ লাখ ৭৯ হাজার ৪১১ জন এবং মহিলা ১৪ লাখ ৫ হাজার ১১ জন। টাঙ্গাইল জেলার ৮টি আসনে উপজেলা রয়েছে ১২টি, পৌরসভা ১১টি, ইউনিয়ন ১১৮টি এবং ১ হাজার একটি ভোট কেন্দ্রে ৫ হাজার ৬৩১টি কক্ষ রয়েছে। জেলায় মোট প্রিজাইডিং অফিসার ১ হাজার ১ জন, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ৫ হাজার ৬৩২ জন, পোলিং অফিসার ১১ হাজার ২৬৪ জন, ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা ১৭ হাজার ৮৯৭ জন তাদের দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়া জেলার আটটি নির্বাচনী এলাকায় ৭শ’ সেনাবাহিনী ১৩টি টিমে ভাগ হয়ে দ্বায়িত্ব পালন করবে। এদের মধ্যে ১২টি টিম ১২টি উপজেলায় ও ১টি টিম রিজার্ভ থাকবে। পাশাপাশি ১৫টি প্লাটুনে ৩শ’ বিজিবি, ২ হাজার পুলিশ, ১৭০ জন র‌্যাব এবং ১২ হাজার আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া ৪০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্টেটও দায়িত্ব পালন করছেন।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান জানান, নির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্রে একজন পুলিশ এবং ১০ জন আনসার দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিটি কেন্দ্রে ২ জন পুলিশ এবং ১০ জন আনসার দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ আনসার ও ৪জন নারী আনসার সদস্য রয়েছে। সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন শেষে আশা করছি নির্বেঘেœ ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন। সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

টাঙ্গাইলের ৮টি সংসদীয় আসনগুলো হলো- টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী), টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুঞাপুর), টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল), টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী), টাঙ্গাইল-৫ (সদর), টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার), টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) এবং টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর)।

বিগত ২০০১ সালের নির্বাচনে জেলার ৮টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ পায় দুইটি, বিএনপি পায় ৫টি ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ পায় একটি আসন। বিগত ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পায় ৫টি ও বিএনপি পায় ৩টি আসন। বিগত ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপি পায় ৭টি ও আওয়ামী লীগ পায় ১টি আসন। বিগত ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জেলার আটটি আসনের মধ্যে ৭টিতে জয়লাভ করে। একটিতে জয়ী হয় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী। বিগত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আটটি আসনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী): এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে আছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি এর আগে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। অপরদিকে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী হিসেবে আছেন মধুপুর উপজেলার তিনবারের পৌর মেয়ল ‘সরকার শহীদ’ নামে সুপরিচিত শহিদুল ইসলাম সরকার (বিএনপি)।

এই দুই প্রার্থী ছাড়াও আরও ৩ জন প্রার্থী আছেন। এরা হলেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী আবু মিল্লাত হোসেন (আম), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী আশরাফ আলী (হাত পাখা), জাকের পার্টির প্রার্থী সালামত হোসাইন খান (গোলাপ ফুল)।
এ আসনের মধুপুর উপজেলায় পৌরসভা রয়েছে ১টি, ইউনিয়ন রয়েছে ১১টি, নির্বাচনী কেন্দ্র রয়েছে ৮৩টি। এ উপজেলায় মোট ভোটার রয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৯২৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯ হাজার ৪১৬ জন। মহিলা ভোটার ১ মখ ১৩ হাজার ৫০৯ জন। এ আসনের অন্য উপজেলা ধনবাড়ীতে পৌরসভা রয়েছে ১টি, ইউনিয়ন রয়েছে ৭টি, নির্বাচনী কেন্দ্র রয়েছে ৫৬টি। এ উপজেলায় মোট ভোটার রয়েছে ১ লাখ ৪২ হাজার ৬৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬৯ হাজার ৬৩২ জন। মহিলা ভোটার ৭ হাজার ৪৩৪ জন।

এ দুটি উপজেলা মিলে পৌরসভা রয়েছে ২টি, ইউনিয়ন রয়েছে ১৮টি। নির্বাচনী কেন্দ্র রয়েছে ১৩৯টি। এ আসনের মোট ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৯৯১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৪৮ জন। মহিলা ভোটার ১ লাখ ৮৫হাজার ৯৪৩ জন।

টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর): এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির এবং বিএনপির প্রার্থী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এছাড়া এই আসনে আরো ৪ জন প্রার্থী রয়েছেন। এরা হলেন বিকল্প ধারার প্রার্থী মুনিরুল ইসলাম (কুলা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী এসএম শামছুর রহমান (হাত পাখা), জাকের পার্টির প্রার্থী এনায়েত হক মঞ্জু (গোলাপ ফুল), কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী জাহিদ হোসেন খান (কাস্তে)।

এই আসনের গোপালপুর উপজেলায় পৌরসভা রয়েছে ১টি, ইউনিয়ন রয়েছে ৭টি, নির্বাচনী কেন্দ্র রয়েছে ৭৫টি। এ উপজেলায় মোট ভোটার রয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ২৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১ হাজার ৯৫ জন। মহিলা ভোটার ১ লাখ ১ হাজার ১৯৩ জন। এ আসনের অন্য উপজেলা ভূঞাপুরে পৌরসভা রয়েছে ১টি, ইউনিয়ন রয়েছে ৬টি, নির্বাচনী কেন্দ্র রয়েছে ৫৭টি। এ উপজেলায় মোট ভোটার রয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৮২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭৪ হাজার ১৩৯ জন। মহিলা ভোটার ৭২ হাজার ২৪৩ জন।

এ দুটি উপজেলা মিলে পৌরসভা রয়েছে ২টি, ইউনিয়ন রয়েছে ১৩টি, নির্বাচনী কেন্দ্র রয়েছে ১৩২টি। এ আসনের মোট ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৫ হাজার ২৩৪ জন। মহিলা ভোটার ১ লাখ ৭৩ হাজার ৪৩৬ জন।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল): এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার পিতা টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আতাউর রহমান খান। অন্যদিকে এখানে বিএনপির প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ। এই আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুশতাক হোসেন ও বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের প্রার্থী আবু হানিফ (ফুলের মালা) আওয়ামী লীগকে সমর্থন জানিয়ে এরই মধ্যে সরে দাঁড়িয়েছেন। এছাড়া এই আসনে আরো ৪ জন প্রার্থী রয়েছেন। এরা হলেনÑ ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী এসএম চাঁন মিয়া (আম), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী রেজাউল করিম (হাত পাখা), জাকের পার্টির প্রার্থী খলিলুর রহমান (গোলাপ ফুল), বিএনএফ এর প্রার্থী আতাউর রহমান খান (টেলিভিশন)।

এই আসনে পৌরসভা রয়েছে ১টি, ইউনিয়ন রয়েছে ১৪টি, নির্বাচনী কেন্দ্র রয়েছে ১১৯টি। এ আসনে মোট ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৮ হাজার ৭৭৭ জন। মহিলা ভোটার ১ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৯ জন।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী): এই আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী ও ঐক্যফ্রন্ট (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ) প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী। এছাড়া এই আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে জাতীয় পাটি (জেপি) প্রার্থী সাদেক সিদ্দিকী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। অপরদিকে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীও নির্বাচনের সুষ্ঠ পরিবেশ নেই অভিযোগ করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

এছাড়া এই আসনে আরো ৩ জন প্রার্থী রয়েছেন। এরা হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী মির্জা আবু সাঈদ (হাত পাখা), জাকের পার্টিল প্রার্থী মোন্তাজ আলী (গোলাপ ফুল), জাতীয় পার্টিল প্রার্থী সৈয়দ মুশতাক হোসেন (লাঙ্গল)।

এ আসনে পৌরসভা রয়েছে ২টি, ইউনিয়ন রয়েছে ১৩টি, নির্বাচনী কেন্দ্র রয়েছে ১০৮টি। এ আসনে মোট ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ১১ হাজার ৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯০৫ জন। মহিলা ভোটার ১ লাখ ৫৬ হাজার ১৮৩ জন।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর): এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সাংসদ মো: ছানোয়ার হোসেন। বিএনপির প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান। অপরদিকে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে লাঙ্গল প্রতিকের প্রার্থী পীরজাদা শফিউল্লাহ আল মুনির। এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাথাল প্রতিকের মুরাদ সিদ্দিকী।

এছাড়া এই আসনে আরো ৪ জন প্রার্থী রয়েছেন। এরা হলেন- ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী আবু তাহের (আম), বিএনএফ প্রার্থী শামীম আল মামুন (টেলিভিশন), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী খন্দকার ছানোয়ার হোসেন (হাত পাখা), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের প্রার্থী সৈয়দ খালেকুজ্জামান মোস্তফা (বটগাছ)। এছাড়া অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কাশেম সিংহ প্রতিক পেয়েছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে ঋণখেলাপীর অভিযোগে হাইকোর্ট থেকে তার প্রার্থীতা বাতিল হয়।

এ আসনে পৌরসভা রয়েছে ১টি, ইউনিয়ন রয়েছে ১২টি, নির্বাচনী কেন্দ্র রয়েছে ১২৭টি। এ আসনে মোট ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৮০ হাজার ৩৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৭৩ জন। মহিলা ভোটার ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৬৫ জন।

 

টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার): এই আসনে নৌকার প্রার্থী আহসানুল ইসলাম টিট ও বিএনপির প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট গৌতম চক্রবতী। এছাড়াও আরো ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম (ট্রাক), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী মামুনুর রহমান (আম), বিএনএফ প্রার্থী সুলতান মাহমুদ (টেলিভিশন), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী আখিনুর মিয়া (হাত পাখা)।

এই আসনের দেলদুয়ার উপজেলায় ইউনিয়ন রয়েছে ৮টি, নির্বাচনী কেন্দ্র রয়েছে ৫৬টি। এ উপজেলায় মোট ভোটার রয়েছে ১ লাখ৬১ হাজার ৩৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮০ হাজার ৪৮০ জন। মহিলা ভোটার ৮০ হাজার ৯১৩ জন। এ আসনের অন্য উপজেলা নাগরপুরে ইউনিয়ন রয়েছে ১২টি, নির্বাচনী কেন্দ্র রয়েছে ৮৫টি। এ উপজেলায় মোট ভোটার রয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৫৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১৩ হাজার ৫৬১ জন। মহিলা ভোটার ১ লাখ ১৫ হাজার ৪৯২ জন।

এ দুটি উপজেলা মিলে ইউনিয়ন রয়েছে ২০টি, নির্বাচনী কেন্দ্র রয়েছে ১৪১টি। এ আসনের মোট ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৯০ হাজার ৪৪৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯৪ হাজার ১৪ জন। মহিলা ভোটার ১ লাখ ৯৬ হাজার ৪০৫ জন।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর): এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান এমপি একাব্বর হোসেন ও বিএনপি প্রার্থী দলের উপজেলা সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী।

এছাড়া এই আসনে আরো ৪ জন প্রার্থী রয়েছেন। এরা হলেন- জাতীয় পার্টির প্রার্থী জহিরুল ইসলাম জহির (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী শাহিনুর ইসলাম (হাত পাখা), খেলাফত মজলিশের প্রার্থী সৈয়দ মজিবর রহমান (দেয়াল ঘড়ি), প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের প্রার্থী রূপা রায় চৌধুরী (বাঘ)।

এ আসনে পৌরসভা রয়েছে ১টি, ইউনিয়ন রয়েছে ১৪টি, নির্বাচনী কেন্দ্র রয়েছে ১১৩টি। এ আসনে মোট ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ২২ হাজার ৬৭৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮৭৮ জন। মহিলা ভোটার ১ লাখ ৬২ হাজার ৭৯৫ জন।

টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর): এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম। অপরদিকে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাদের সিদ্দিকী মেয়ে কুঁড়ি সিদ্দিকী।

এছাড়া আরো ৩ জন প্রার্থী এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এরা হলেন- জাতীয় পার্টির কাজী আশরাফ সিদ্দিকী (লাঙল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী আব্দুল লতিফ মিয়া (হাত পাখা) ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী সফি সরকার (আম)।

এ আসনের বাসাইল উপজেলায় পৌরসভা রয়েছে ১টি, ইউনিয়ন রয়েছে ৬টি, নির্বাচনী কেন্দ্র রয়েছে ৫৩টি। এ উপজেলায় মোট ভোটার রয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৫৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬৫ হাজার ২৮০ জন। মহিলা ভোটার ৬৮ হাজার ৩৭৯ জন। এ আসনের অন্য উপজেলা সখীপুরে পৌরসভা রয়েছে ১টি, ইউনিয়ন রয়েছে ৮টি, নির্বাচনী কেন্দ্র রয়েছে ৬৯টি। এ উপজেলায় মোট ভোটার রয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার ৯৮৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩ হাজার ১৭৫ জন। মহিলা ভোটার ১ লাখ ৯ হাজার ১৯১ জন।

এ দুটি উপজেলা মিলে পৌরসভা রয়েছে ২টি, ইউনিয়ন রয়েছে ১৪টি, নির্বাচনী কেন্দ্র রয়েছে ১২২টি। এ আসনের মোট ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৬৪৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৫৫ জন। মহিলা ভোটার ১ লাখ ৭৮ হাজার ১৯১ জন।