নিষিদ্ধ কোনো দল অংশ না নিতে পারা নির্বাচনের পথে বাধা নয় : নজরুল ইসলাম

আলোকিতপ্রজন্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:৫০ পিএম, রোববার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬ | ৮২

নিষিদ্ধ কোনো দল অংশ না নিতে পারা নির্বাচনের পথে বাধা নয় বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল আছে যাদের প্রতি জনগণ ক্ষুব্ধ ও ক্রোধ রয়েছে। দেশের প্রচলিত আইনে একটি রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ। তাই তাদের আইনগতভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সুযোগ নেই। এটাকে নির্বাচনের পথে বাধা মনে করা যায় না।

রোববার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে কমিটির প্রথম বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এসব কথা বলেন।

আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হচ্ছে কিনা সাংবাদিকরা জানতে চাইলে নজরুল ইসলাম খান বলেন, এক সময় অনেক দল যখন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে নাই তখনও নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক বলা হতো। আমরা ওইরকমভাবে বলতে চাই না। কিন্তু কিছু রাজনৈতিক দল আছে যাদের প্রতি জনগণের ক্ষোভ ও ক্রোধ রয়েছে। দেশের প্রচলিত আইনে একটি রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ। তাই তাদের আইনগতভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সুযোগ নাই। এটাকে নির্বাচনের পথে বাধা মনে করা যায় না। এর বাইরে কোনো দল যদি অংশগ্রহণ করতে না চায় তাহলে সেটা ভিন্ন কথা।

তিনি আরো বলেন, এ মুহূর্তে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে যাদের রাজনৈতিক তৎপরতার উপর বিধিনিষেধ নাই তাদের কারোরই নির্বাচনের অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে বাধা নেই। এখন এটা তাদের সিদ্ধান্ত। যদি বাধা হতো তাহলে আমরা বলতে পারতাম নির্বাচনের কিছু দলকে বাইরে রেখে আয়োজনের চেষ্টা হচ্ছে। বাধা না থাকার কারণে এটা আমরা বলতে পারছি না। কোনো দল যদি স্বেচ্ছায় নির্বাচন অংশগ্রহণ না করে সেখানে কারো কিছু বলার নাই।

বিভিন্ন প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম বলেন, যদি ন্যায্য কারণে কারও মনোনয়নপত্র বাতিল হয় তাহলে কাউকে দোষারোপ করতে পারেন না। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী মনোনয়নপত্র বাতিল হলে সেটা হতেই পারে, আমাদের বিএনপির প্রার্থীরও মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মনোনয়নপত্র বাতিল হলে আপিল করার সুযোগ আছে। প্রার্থীরা নিশ্চয়ই সে অনুযায়ী আপত্তি জানাবেন এবং সেই সময় আছে।

আরেক প্রশ্নের উত্তরে দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে কোথাও কোনো প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলের জন্য বলা হয়নি। আর বললেই তারা করবে কেন? তাদেরও করার কথা না। কারণ তারা তো সরকারি কর্মকর্তা। আমাদের দলের কর্মী না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কী লেখা হয়েছে, সেটা নিয়ে কাউকে অভিযুক্ত করা মনে হয় সঙ্গত নয়। এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপির উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম বৈঠক উপস্থিত ছিলেন, কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, মুখপাত্র মাহাদি আমিন, সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার, সাইমুম পারভেজ প্রমুখ।

সুত্র:বণিক বার্তা